মুরগির মাংস বেশি খেয়ে ফেলায় বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
একত্রে আনন্দ করার আসরে মুরগির মাংস খাওয়া নিয়ে সামান্য তর্কাতর্কির জেরে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তারই সহকর্মীর বিরুদ্ধে। ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের বেলগাভি জেলায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। খবর এনডিটিভির।
নিহত ব্যক্তির নাম সীতারাম। তিনি উত্তর প্রদেশের পিলিভীত জেলার কবিরগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কর্ণাটকের মুদালাগী তালুকের ‘প্রিয়া স্টিল কোম্পানি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। এই মামলার অভিযুক্ত অরুণ কুমারও একই গ্রামের বাসিন্দা এবং নিহত সীতারামের সহকর্মী।
আরও পড়ুন : বিশ্রাম নিতে পাতায়া যাচ্ছেন ৫ হাজার মার্কিন সেনা, যৌনকর্মীদের সতর্ক করল থাইল্যান্ড
আরও পড়ুন : মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, কড়া জবাবের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
পুলিশসূত্রে জানা গেছে, কর্ণাটকের মুদালাগী তালুকের হুনাশিয়াল পিজি গ্রামে নিজেদের ঘরে অরুণ ও সীতারাম একসঙ্গে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। খাওয়াদাওয়ার একপর্যায়ে প্লেটে রাখা মুরগির মাংসের টুকরো কে বেশি খেয়েছে, তা নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। সামান্য এই তর্কাতর্কি একপর্যায়ে তীব্র বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়।
এর একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে অরুণ কুমার একটি ধারালো ছুরি দিয়ে সীতারামের বুকে আঘাত করেন।
আরও পড়ুন : বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসার স্থগিতাদেশ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র
আরও পড়ুন : পাকিস্তানের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তি মানতে হবে ভারতকে : আন্তর্জাতিক আদালত
ঘটনার পর অপরাধ ধামাচাপা দিতে অরুণ এক নাটকীয় চেষ্টা চালান। গুরুতর আহত অবস্থায় সীতারামকে তিনি গোকাক সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকদের জানান, সীতারাম বহুতল ভবন থেকে নিচে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন। তবে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকদের সন্দেহ হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অরুণ কুমারকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পুলিশের টানা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে অরুণ স্বীকার করেন, তিনি নিজেই সীতারামকে ছুরিকাঘাত করেছিলেন।
এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মারা যান সীতারাম। এই ঘটনায় পুলিশ অরুণের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক