শুটিংয়ের শেষদিন কেঁদেছিলেন সাবিলা, ‘চিত্রা’ হয়ে ফিরছেন ঈদে
গত বছরের আলোচিত ‘তাণ্ডব’-এর পর নতুন সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নিয়ে আবারও আলোচনায় সাবিলা নূর। তানিম নূর পরিচালিত এই সিনেমার শুটিং শেষ করে ঈদুল ফিতরের মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। শুটিং অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা—সব মিলিয়ে সাবিলার কথায় উঠে এসেছে আবেগ, প্রত্যাশা আর আত্মবিশ্বাস।
শুটিং শেষের অনুভূতি জানাতে গিয়ে সাবিলা বলেন, পুরো জার্নিটা তাঁর কাছে ছিল বিশেষ। প্রায় ২০ দিনের টানা শুটিং, গুছানো পরিকল্পনা আর টিমওয়ার্ক—সবকিছু মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা এতটাই গভীর ছিল যে শেষদিন তিনি আবেগ সামলাতে পারেননি। তাঁর ভাষায়, শুটিংয়ের শেষদিন তিনি কেঁদেছেন, আর এই কাজটি তাঁর জন্য আজীবনের স্মৃতি হয়ে থাকবে।
হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমায় ‘চিত্রা’ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগটাকেই নিজের জন্য ‘রাইট চয়েজ’ মনে করছেন সাবিলা। তানিম নূরের পরিচালনা আর গল্পের শক্তি শুরু থেকেই তাঁকে আশাবাদী করেছে বলেও জানান তিনি।
সহশিল্পী হিসেবে মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী ও শরিফুল রাজের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাকে সাবিলা দেখছেন শেখার জায়গা হিসেবে। বিশেষ করে রাজের সঙ্গে অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি আর মোশাররফ করিমের সঙ্গে দৃশ্যগুলোকে তিনি ‘ইন্টারেস্টিং’ বলে উল্লেখ করেন।
ব্যবসায়িক সম্ভাবনা নিয়েও আত্মবিশ্বাসী সাবিলা। তাঁর মতে, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ কোনো আর্টধর্মী কাজ নয়; এখানে রোম্যান্স, কমেডি ও ট্রাজেডির মিশেল রয়েছে, যা দর্শককে প্রেক্ষাগৃহে টানবে। হুমায়ূন আহমেদের পাঠক আর ‘উৎসব’ দেখা দর্শকরাও এই সিনেমার বড় শক্তি বলে মনে করছেন তিনি।
নাটক থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও সেই জগতকে ভুলে যাননি সাবিলা। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-কে এখনো নিজের পরিবার হিসেবেই দেখেন তিনি। সময় আর পরিস্থিতি মিললে নাটকে ফেরার ইচ্ছের কথাও জানান এই অভিনেত্রী।
সবশেষে সাবিলার স্পষ্ট কথা—তিনি এমন সিনেমাই করতে চান, যেগুলো ব্যবসায়িকভাবে সফল হবে এবং যেখানে তাঁর চরিত্র দর্শকের মনে দাগ কাটবে। ভবিষ্যতে রোম্যান্স, নাচ আর অ্যাকশনের ভিন্ন ভিন্ন রূপে নিজেকে তুলে ধরার ইচ্ছাও জানালেন তিনি।

বিনোদন ডেস্ক