নিজের কর্ম-পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন বাইডেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। আগামী জানুয়ারি মাসে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন। আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমে বাইডেন যে পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন এরই মধ্যে সে বিষয়ে তিনি নিজের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।
বাইডেন তাঁর পদক্ষেপে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবিলাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেবেন বলে জানানো হয়েছে। বাইডেন শিবির থেকে জানানো হয়, করোনাভাইরাসের পরীক্ষা বাড়িয়ে দেওয়া হবে এবং মার্কিন নাগরিকদের মাস্ক পরতে বলা হবে, খবর বিবিসির।
ট্রাম্পের অধীনে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ উপেক্ষা করে করোনাভাইরাস মহামারিকে যেমন হালকাভাবে দেখা হয়েছে, তা বেশ সমালোচিত হয়েছে। বিশেষ করে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্বকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। যদিও বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রেই।
ক্ষমতা নেওয়ার পর বাইডেন প্রথমেই এ ব্যাপারে দেশটির শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অ্যান্থনি ফসির সঙ্গে কথা বলবেন। এটি তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল।
বাইডেন ক্ষমতায় বসার প্রথম দিনই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে আবার যোগ দেবেন, যা ট্রাম্প একক সিদ্ধান্তে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।
বাইডেন একাধিক কার্যনির্বাহী পদক্ষেপও প্রস্তুত করার জন্য তৈরি, যা ট্রাম্পের বহু বৈদেশিক নীতিকর্মকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে।
বাইডেন প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর জাতির সামনে বর্ণবৈষম্য ও জলবায়ু সংকটকে ‘সবচেয়ে জরুরি’ চ্যালেঞ্জ হিসেবে প্রাধান্য দিয়ে তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেয়।
গত চার বছরে দেশ ও জাতির জন্য অমর্যাদাকর ট্রাম্পের সব ধরনের ভ্রান্ত নীতি বাতিল করে ওবামা প্রশাসনের সময় প্রতিষ্ঠিত নীতি ও নির্দেশিকা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাইডেন। আগামী ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিনই নির্বাহী আদেশে রাজনীতি ও গণতন্ত্রের সৌন্দর্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে ট্রাম্পের সঙ্গে পার্থক্যটা বুঝিয়ে দিতে চান বাইডেন।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক