কলেজের ৬৬ শতাংশ ছাত্র সপ্তাহে সাত ঘণ্টা পর্নো দেখে!
স্নাতকপূর্ব অর্থাৎ কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের ৬৬ শতাংশ প্রতি সপ্তাহে সাত ঘণ্টা পর্নো দেখে। শুধু তাই নয় তারা এ ‘অভ্যাস’ শুরু করে নয় বছর বয়স থেকেই! অন্যদিকে ৩০ শতাংশ স্নাতকপূর্ব ছাত্রী সপ্তাহে পাঁচ ঘণ্টা পর্ণো দেখে। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের ১৬ থেকে ২১ বছর বয়সী শিশু ও তরুণ-তরুণীদের ওপর এই গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। রাজ্যের ১৮৩টি কলেজের তিন হাজার ৫০০ ছাত্রের ওপর গবেষণাটি পরিচালনা করে বেসরকারি সংস্থা রেসকিউ। এতে নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অভিশেক ক্লিফোর্ড।
অভিশেক জানান, প্রতিটি কলেজের একটি ক্লাসের ২০ জন ছাত্রকে পরোক্ষভাবে তাদের বন্ধুদের সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়, তাদের বয়সী কত শতাংশ ছাত্র ধর্ষণের ভিডিও দেখে এবং প্রতি সপ্তাহে কত ঘণ্টা পর্নো দেখে।
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, কর্ণাটক রাজ্যের বিদার, গাদাগ, মাইসুর, চামারাজানগর, মান্দ্য, ধারবার্দ, বেলাগাভি ও ব্যাঙ্গালুরুতে এই সমীক্ষা শেষ হয়েছে। বর্তমানে ম্যাঙ্গালুরুতে চলছে।
সমীক্ষায় দেখা যায়, ৩০ শতাংশ কিশোর ও তরুণ সপ্তাহে গড়ে ১৯টি ধর্ষণের ঘটনাসহ সহিংস পর্নো দেখে থাকে। উচ্চ মাধ্যমিকে প্রতিবছর ১ লাখ ৭০ হাজার নতুন ছাত্র ধর্ষণের ভিডিও দেখা শুরু করে। এরপর তারা স্নাতকে ভর্তি হয়। স্নাতকে পড়াকালেই চার হাজার ৯০০টি ধর্ষণের ভিডিও তাদের দেখা হয়ে যায়।
অভিশেক জানান, ৮৪ শতাংশ ছাত্র বলেছে, পর্নো দেখা আসক্তিতে পরিণত হয়েছে। ৮৩ শতাংশ ছাত্রছাত্রী বলেছে, পর্নো যৌন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করতে প্ররোচিত করে। ৭৪ শতাংশ বলেছে, এসব ভিডিও তাদের পতিতালয়ে যেতে উৎসাহ জোগায়। ৭৬ শতাংশ ভয়াবহ তথ্য জানিয়েছে, ধর্ষণের ভিডিও কাউকে ধর্ষণের ইন্ধন জোগায়।
অভিশেক বলেন, ‘পর্নো দেখে যদি ১০ শতাংশ কিশোর ও তরুণের মধ্যে ধর্ষণের ইচ্ছে জাগে, তাহলে কর্ণাটকে প্রতিবছর ১৩ হাজার নতুন ধর্ষকের সৃষ্টি হবে।’

অনলাইন ডেস্ক