সৈন্যের মৃত্যু, ভারতে সেনাবাহিনীতে সংঘর্ষ
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সীমান্তবর্তী ইউনিটে সেনাসদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। তবে বিদ্রোহের খবর নাকচ করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ওই এলাকায় ১০ কিলোমিটার পথ মার্চ করার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এক সৈন্য মারা গেছেন। এ ঘটনায় এই এলাকায় চার-পাঁচজন সৈন্যের একটি দলের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। এ সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী বলেছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একটি পদাতিক ইউনিটে নিয়মিত প্রশিক্ষণের সময় ওই সৈন্য মারা যান। এটি কোনো বিদ্রোহের ঘটনা নয়। রুট মার্চের সময় এই সৈন্যের বুকে ব্যথা ওঠে। ইউনিটের মেডিকেল কর্মকর্তা (এমও) তাঁকে পরীক্ষা করেন এবং সুস্থই পান। কিন্তু পরে রুট মার্চের সময় তিনি পড়ে যান। তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।
এই এলাকায় সেনা বিদ্রোহের মতো পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবেদন ছড়িয়ে পড়ার পর সেনাবাহিনী এই বিবৃতি দিল।
ওই প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, এক ক্যাপ্টেন ও এক সৈন্যের মধ্যে সংঘর্ষের পর শাস্তি হিসেবে ১০ কিলোমিটার পথ কুচকাওয়াজের নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই সংঘর্ষের ঘটনায় ক্যাপ্টেন ও তিন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। ক্যাপ্টেনের অবস্থা গুরুতর।
দিল্লিতে সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর কোনো ব্যক্তির গুরুতর আহত হওয়ার খবর নাকচ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় এই এলাকা থেকে ইউনিট সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার খবরও প্রত্যাখ্যান করেছে সেনাবাহিনী।
২০১২ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের লাদাখের নিওমায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ওপর সৈন্যরা হামলা করে। তখনো সেনাবাহিনী এটিকে সৈন্যদের মধ্যে নিছক হাতাহাতি বলে কোনো ধরনের বিদ্রোহের খবর প্রত্যাখ্যান করে।

অনলাইন ডেস্ক