দ্বিতীয়বারের মতো ইসরায়েলের ওপর হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের ভয়াবহতা আরও বাড়িয়ে দিয়ে এবার দ্বিতীয়বারের মতো ইসরায়েলের ওপর সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই হামলা অব্যাহত রাখার হুঙ্কার দিয়েছে গোষ্ঠীটি। খবর বিবিসির।
এদিকে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে স্থল অভিযান চালাতে গিয়ে মোশে ইৎজাক হাকোহেন কাটজ নামে এক ইসরায়েলি সৈন্য নিহত হয়েছেন। আজ রোববার (২৯ মার্চ) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) এই তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, একই যুদ্ধে আরও তিনজন সৈন্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘোষণা অনুযায়ী, লেবানন সীমান্তে একটি ‘বাফার জোন’ তৈরির লক্ষ্যে ইসরায়েল তাদের অভিযানের পরিধি আরও বাড়িয়েছে।
সংঘাতের বিস্তার এখন ইরানের ভেতরেও পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে একযোগে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে। বুশেহর প্রদেশে এক বিমান হামলায় একটি পরিবারের চার সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া খুজেস্তান প্রদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ পানি সরবরাহ কেন্দ্রেও হামলা চালানো হয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ইসরায়েলি ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ভয়াবহ প্রতিশোধমূলক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
যুদ্ধের প্রভাবে বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শিল্পখাতও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাহরাইনের ‘অ্যালুমিনিয়াম বাহরাইন’ এবং আমিরাতের ‘এমিরেটস গ্লোবাল অ্যালুমিনিয়াম’ তাদের স্থাপনায় ইরানি হামলার খবর নিশ্চিত করেছে।
যুদ্ধের প্রতিবাদে ও অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবিতে ইসরায়েলের তেল আবিব এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছে। অন্যদিকে, লেবাননের বৈরুতে তিনজন সাংবাদিক নিহতের প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করছে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক