যুক্তরাষ্ট্রের ‘অযৌক্তিক দাবি’ পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করছে সমঝোতা
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধি দলের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও আলোচনায় আশানুরূপ কিছু উঠে আসেনি বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, চুক্তি ছাড়াই তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে হচ্ছে।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘অযৌক্তিক দাবি’ পরিবর্তন না করলে চলমান আলোচনায় কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হবে। খবর আল জাজিরার।
ফার্স জানায়, গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালির বিষয়টি এখনও অমীমাংসিত প্রধান ইস্যুগুলোর একটি হিসেবে রয়ে গেছে।
ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, উভয় পক্ষের বিশেষজ্ঞরা মতপার্থক্য দূর করে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। এ ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে এবং দুই পক্ষের অবস্থান কাছাকাছি আনার চেষ্টা করছে।
এছাড়া আলোচনায় অংশ নেওয়া দুই পক্ষই প্রস্তাবিত খসড়া নিয়ে নিজেদের বিশেষজ্ঞ দলের সঙ্গে পরামর্শ করতে সাময়িকভাবে বিরতি নিয়েছে। খসড়া প্রস্তুত হলে আবার আলোচনা শুরু হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, আলোচনায় অগ্রগতি নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ের অবস্থানের নমনীয়তার ওপর। বিশেষ করে বিতর্কিত বিষয়গুলোতে সমঝোতায় পৌঁছানো কতটা সম্ভব, তার ওপরই নির্ভর করছে চূড়ান্ত ফলাফল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে যে যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল, তা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত থাকা অবস্থায় এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে আঘাত হানা এই সংঘাত গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পর সাময়িকভাবে বন্ধ হয়।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক