হরমুজ পেরিয়ে পাকিস্তান ও চীনের পথে ২ এলএনজি ট্যাংকার
পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহী দুটি বিশাল ট্যাংকার। কাতার থেকে এলএনজি বোঝাই করে ট্যাংকার দুটি এখন পাকিস্তান ও চীনের দিকে এগিয়ে চলেছে। আজ সোমবার (২৫ মে) আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক জাহাজ চলাচল ট্র্যাকিং ডেটার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার প্রভাবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার যে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, এই জাহাজ দুটির প্রণালি পার হওয়ার ঘটনাটি তারই বাস্তব প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
আরও পড়ুন : ভাই সেজে নিজের স্ত্রীকে বিয়ে দিলেন স্বামী
আরও পড়ুন : বিশ্ববাজারে রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম
জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ডেটা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘কেপলার’ ও ‘এলএসইজির’ তথ্য অনুযায়ী, বাহামার পতাকাবাহী এলএনজি ট্যাংকার ‘ফুওয়াইরিত’ সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। জাহাজটি আগামী মঙ্গলবার (২৬ মে) পাকিস্তানের বন্দরে তার এলএনজি সরবরাহ খালাস করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, এই জাহাজটি গত মার্চ মাসে কাতারের বিখ্যাত রাস লাফান টার্মিনাল থেকে এলএনজি সংগ্রহ করে সেখানে অবস্থান করছিল।
আরও পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি এখনও প্রক্রিয়াধীন : মার্কো রুবিও
আরও পড়ুন : সুপারশপ থেকে নেওয়া সালাদের প্যাকেটে জ্যান্ত ব্যাঙ!
রয়টার্স জানিয়েছে, কাতার থেকে এলএনজি বোঝাই করা দ্বিতীয় ট্যাংকার ‘আল রাইয়ান’ একইভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথটি পার হতে সক্ষম হয়েছে। কাতারের রাস লাফান থেকে গ্যাস নেওয়ার পর গত ২২ মে জাহাজটিকে শেষবারের মতো পারস্য উপসাগরের অভ্যন্তরে দেখা গিয়েছিল। বর্তমানে জাহাজটি ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী আন্তর্জাতিক জলসীমায় (হরমুজ প্রণালির ঠিক বাইরে) অবস্থান করছে। আগামী ২৭ জুন জাহাজটি চীনে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধাবস্থার কারণে গত তিন মাস ধরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্থবির হয়ে পড়েছিল, যা বিশ্ববাজারে তীব্র জ্বালানি সংকট ও মূল্যস্ফীতি তৈরি করে। বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত এই প্রধান বাণিজ্যিক রুটটি দিয়ে এলএনজি ট্যাংকার চলাচল শুরু হওয়ায় এশিয়াসহ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। সূত্র : আলজাজিরা

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক