কেবল ভাষণ নয়, জাতিসংঘের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ চায় গাজাবাসী
বছরের পর বছর ধরে চলা অবর্ণনীয় ধ্বংসযজ্ঞ ও রক্তক্ষয়ের পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে কেবল গতানুগতিক কূটনৈতিক কোনো ভাষণ দেখতে চান না গাজার ফিলিস্তিনিরা। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক জানান, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ভাষণের দিকে তাকিয়ে থাকা সাধারণ মানুষ এবার কথার মারপ্যাঁচের বদলে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সশরীরে উপস্থিত থাকতে না পেরে ভিডিও বার্তার মাধ্যমেই বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে ভাষণ দিচ্ছেন মাহমুদ আব্বাস।
গাজার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্ট অবিলম্বে চলমান গণহত্যা বন্ধ, সাধারণ মানুষের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও বাস্তবসম্মত রূপরেখা তুলে ধরবেন। ফিলিস্তিনিদের নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিজেরাই নির্ধারণ করার মতো শক্ত পথ দেখতে চান তারা।
এদিকে, নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে গাজার পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠন বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে ফিলিস্তিনি জনগণের জরুরি মানবিক সহায়তা ও একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জোরালো তাগিদ দিয়েছে কাতার।
বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৈঠকে কাতারের প্রতিনিধিত্ব করেন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মারিয়াম বিনতে আলি বিন নাসের আল-মিসনাদ। তিনি উল্লেখ করেন, গাজা ও পূর্ব জেরুজালেমসহ সমগ্র পশ্চিম তীরকে একত্রিত করে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই পুনর্গঠন প্রচেষ্টা চালাতে হবে। পাশাপাশি যুদ্ধবিরতি রক্ষা ও মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনের ওপরও জোর দেন কাতারি এই মন্ত্রী।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক