অমর একুশে গ্রন্থমেলায় এসেছে জহিরুল ইসলামের দুই বই
অমর একুশে গ্রন্থমেলায় পাঠকদের জন্য জহিরুল ইসলামের দুটি নতুন বই—ভ্রমণকাহিনি ‘আয়া সোফিয়ার নীরবতা’ এবং কিশোর রহস্যগল্প ‘তিন বন্ধুর রহস্যজট : ভূত নয়, সত্যি’ প্রকাশিত হয়েছে। বই দুটি পাওয়া যাচ্ছে টাঙ্গন প্রকাশনের স্টল নম্বর ৫১৮-তে।
রকমারি ডটকমসহ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্টল নম্বর ৫৫৭-তেও পাওয়া যাচ্ছে বই দুটি।
জহিরুল ইসলামের জন্ম কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায়। তাঁর বাবা এ বি এম আব্দুল লতিফ ও মা নাজমা বেগম। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার পর তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পেশাগত জীবনে জহিরুল ইসলাম সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের দ্বিতীয় বর্ষ থেকেই তাঁর সাংবাদিকতায় পথচলা শুরু। বর্তমানে তিনি কালের কণ্ঠে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত।
ভ্রমণকাহিনিভিত্তিক বই ‘আয়া সোফিয়ার নীরবতা’ মূলত জহিরুল ইসলামের ২০২২ সালে ইস্তাম্বুল ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা। এটি শুধু একটি ভ্রমণকাহিনি নয়; বরং এক মানুষের নীরব ভাঙন, ধীরে ধীরে বদলে যাওয়া এবং অচেনা মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের গল্প।
এই ভ্রমণকাহিনির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে চার চরিত্র—আমির, নাজানা, এলিফ ও রাহমেত। পাশাপাশি ওমর ফারুক হেলালী, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মিনহাজুল আবেদীনের মতো আরও কিছু চরিত্রের উপস্থিতি গল্পটিকে জীবন্ত করে তুলেছে। তাদের জীবন, স্বপ্ন, সফলতা ও ব্যর্থতার গল্পের মধ্য দিয়ে লেখকের নিজের পরিবর্তনের পথও ধরা পড়ে।
অন্যদিকে ‘তিন বন্ধুর রহস্যজট : ভূত নয়, সত্যি’ একটি কিশোর রহস্য-রোমাঞ্চ গল্প। কুমিল্লা শহরের শান্ত পরিবেশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অদ্ভুত সব রহস্যকে ঘিরেই এগিয়েছে এই কাহিনি। কখনও নির্জন চরে জেগে ওঠা রক্তমুখী শিলার আতঙ্ক, কখনও মাটির নিচে হাজার বছরের পুরোনো মুদ্রার অভিশাপ, আবার কখনও আধুনিক বিজ্ঞানের আড়ালে স্মৃতি চুরির অদ্ভুত ঘটনা—এসব রহস্যের জট খুলতে এগিয়ে আসে তিন কিশোর—মগজ রায়হান, সাহসী বাদল ও টেক-জিনিয়াস তুহিন।
চৌধুরীপাড়ার অভিশপ্ত ‘রক্তচিহ্নের ঘর’কে ঘিরে রহস্যের জট খুলতে তাদের অভিযানের গল্প পাঠকদের জন্য এক রুদ্ধশ্বাস অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলে আশা করছেন লেখক।
গত বছরের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় জহিরুল ইসলামের ‘অধরা স্বপ্ন’ এবং ‘তিন বন্ধু ও রহস্যজট’ নামে প্রকাশিত দুটি বইও এই স্টলে পাওয়া যাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক