অনুশীলন ছেড়ে যাওয়ার কারণ জানালেন সুজন
সকালে চট্টগ্রামের ইস্যু যেতে না যেতেই দুপুরেই সামনে এলো অন্য ঘটনা। সিলেটে রেগে অনুশীলন ছেড়ে চলে গেলেন নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন আর সহকারী কোচ তালহা জুবায়ের। যাওয়ার সময় সুজন বলে গেলেন, তিনি আর কোচিং করাতে চান না নোয়াখালীকে। গুঞ্জন আছে ঢাকায় ফেরার জন্য বিমানের টিকিটও কেটে ফেলেছেন তারা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সূচী অনুযায়ী, দুপুর দেড়টায় অনুশীলন করতে মাঠে আসে নোয়খালী এক্সপ্রেস। তখনই মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান সুজন-জুবায়ের। পরে অবশ্য অভিমান ভেঙে আবারও দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সুজন। এরপর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি।
সুজন বলেন, ‘এটা মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং। হিট অব দ্যা মোমেন্টে এরকম একটা বিষয় হয়েছে। নোয়াখালীর টিম মালিকদের ধন্যবাদ, উনারা আমার সাথে কথা বলেছেন, বিসিবি থেকেও আমার সাথে কথা বলেছেন।’
এরপর নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রধান কোচ সুজন বললেন সেসময় অনুশীলন ছেড়ে যাওয়ার কারণ। তিনি বলেন, ‘মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিংটা হয়েছিল ট্রেনিংয়ে ফ্যাসিলিটিস ছিলনা, যেই জিনিসগুলা দরকার সেগুলা তখন পাইনি আমি। এটা মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং আর কিছুনা।’
পরে জানা গেছে, মূলত নোয়াখালীর ট্রেনিংয়ে প্রয়োজনীয় বল ছিল না। প্রয়োজনীয় সংখ্যক বল না থাকায় এই ঘটনা ঘটে। যদিও এরই মধ্যে নোয়াখালী কাস্টমাইজ করে নিজেদের প্যাড, হেডমেট, জার্সি বানিয়েছে।
দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে অধিনায়কও ঠিক করে ফেলেছেন সুজন। চমক দিয়ে নোয়াখালীর অধিনায়ক করা হয়েছে সৈকত আলীকে। ৩২ বছর বয়সী এই ব্যাটার মিডিয়াম পেসে বলও করতে পারেন। অতীতে বিপিএল খেলেছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, রংপুর রাইডার্স, ফরচুন বরিশাল ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে দেশের হয়ে খেললেও কখনও সুযোগ পাননি জাতীয় দলে।

স্পোর্টস ডেস্ক