ধরপাকড়ের মধ্যে ভারতে বিক্ষোভ-সমাবেশ অব্যাহত
কড়া নিরাপত্তা, নিষেধাজ্ঞা আর ধরপাকড়ের মধ্যে ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে।
নতুন এই নাগরিকত্ব আইনে ধর্মকে মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করার প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবারও নয়াদিল্লির রাজপথে নামে জনতা। অনেক বিক্ষোভকারীকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
নতুন আইনের মাধ্যমে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের মূলনীতি লঙ্ঘন করা হয়েছে অভিযোগ করে মুম্বাইয়ে আইনটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন দেশটির মূল সংবিধানের রচয়িতা ভিমরাও আম্বেদকারের পরিবারের সদস্যরা।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবারও উত্তর প্রদেশের বহু এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছিল। বিজনর, বুলন্দশহর, মুজাফ্ফরনগর, মিরুত, আগ্রা, ফিরোজাবাদ, সম্ভল, আলিগড়, গাজিয়াবাদ ও সিতপুরে বিক্ষোভ দমনে ইন্টারনেট বন্ধ করে রাখে প্রশাসন। রাজ্যটিতে এ পর্যন্ত বিক্ষোভে ২১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
এদিন বিক্ষোভ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। সিএএ এবং এনআরসির বিরুদ্ধে আন্দোলনের রাস্তা থেকে তিনি যে সরছেন না, লাগাতার কর্মসূচিতে আবারও বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মিছিল শেষে সভামঞ্চ থেকে মমতা ফের ঘোষণা দেন, সিএএ-এনআরসি প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত মানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তিনি।
দুই সপ্তাহ আগে পাস হওয়া বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভে ভারতজুড়ে ২৫ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে। আটক করা হয়েছে হাজারো প্রতিবাদকারীকে।

অনলাইন ডেস্ক