এখন থেকে এক ইঞ্জিনেই চলবে মৈত্রী এক্সপ্রেস
ঢাকা-কলকাতা রুটের ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাতায়াতের সময় আগের চেয়েও কমছে। কারণ এখন থেকে কোনো দেশের সীমান্ত পার হওয়ার পর ইঞ্জিন বদল ছাড়াই চলবে এই ট্রেন। গতকাল সোমবার ভারতের পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ কর্মকর্তা রবি মহাপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা গেছে, আগে দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় এসে ইঞ্জিন বদল করত মৈত্রী এক্সপ্রেস। এখন থেকে আর ইঞ্জিন বদল করতে গিয়ে পথের মধ্যে সময় নষ্ট করবে না মৈত্রী এক্সপ্রেস। ঢাকা কিংবা কলকাতা যেখান থেকেই মৈত্রী ট্রেন ছাড়বে সেই দেশের ইঞ্জিনেই পাড়ি দেবে গোটা পথ।
ভারতের পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ কর্মকর্তা রবি মহাপাত্র বলেন, ইঞ্জিন পরিবর্তনের ঝামেলা না থাকায় অনেকটা সময় নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচবেন যাত্রীরা। এ ছাড়া নতুন বছরে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেসের ট্রেন বাড়ানোরও পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে যাত্রীরা আরো বেশি করে স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারবেন বলে আশা করেন তিনি।
মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দাবি, কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশনের যাবতীয় চেকিং ব্যবস্থা চলন্ত ট্রেনেই করা হোক। কারণ ভারতের গেদে সীমান্তে এবং বাংলাদেশের দর্শনা সীমান্তে ট্রেন দাঁড় করিয়ে এই চেকিং সারতে গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার কাছাকাছি সময় ব্যয় হয় যাত্রীদের। যাত্রীদের দাবি, ওই চেকিংয়ের ব্যবস্থা মৈত্রী এক্সপ্রেসের মধ্যে করলে যাত্রীদের সময় বেঁচে যাবে।
ভারতীয় রেল সূত্রে জানা গেছে, চেকিং চলন্ত ট্রেনে করার বিষয়টি ভেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের কিছু উচ্চপর্যায়ের নিয়মকানুন সম্পন্ন হলে আগামী দিনে ওই ব্যবস্থাও চালু হতে পারে। এ ছাড়া আগামী দিনে ধীরে ধীরে মৈত্রী এক্সপ্রেসে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা চালুর পরিকল্পনা আছে।

কলকাতা সংবাদদাতা