মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা
সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র (আইএসি) ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে তাদের পূর্বাভাস দিয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ১৮ মার্চ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এর ফলে ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। সেই হিসাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের অনেক দেশে ২০ মার্চ (শুক্রবার) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।
আইএসির মতে, ১৮ মার্চ সূর্যাস্তের আগেই চাঁদ অস্ত যাবে ও সূর্যাস্তের পর সংযোগ তৈরি হবে। এ কারণে ওইদিন চাঁদ দেখা বৈজ্ঞানিকভাবে অসম্ভব। তবে ১৯ মার্চ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা থাকলেও তা বেশ কঠিন হবে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বের পূর্ব অংশ থেকে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) চাঁদ দেখা সম্ভব নয়। তবে পশ্চিম এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা ও পশ্চিম ইউরোপ থেকে টেলিস্কোপ বা খালি চোখে অত্যন্ত কষ্টসাধ্যভাবে চাঁদ দেখা যেতে পারে। উত্তর আমেরিকার বেশিরভাগ অঞ্চল থেকে তুলনামূলক সহজে খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব হবে। এই পরিস্থিতির কারণে অনেক দেশ ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) চাঁদ দেখা নিশ্চিত করতে না পেরে ২১ মার্চ (শনিবার) ঈদ পালনের ঘোষণা দিতে পারে।
আমিরাত সরকার ইতোমধ্যে সরকারি ও বেসরকারি খাতের জন্য ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছে। বেসরকারি অফিসে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২১ মার্চ (শনিবার) পর্যন্ত ছুটি থাকবে। তবে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হলে এই ছুটি ২২ মার্চ (রোববার) পর্যন্ত বাড়ানো হবে।
সরকারি অফিসে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২২ মার্চ (রোববার) পর্যন্ত টানা ছুটি থাকবে এবং ২৩ মার্চ থেকে পুনরায় অফিস কার্যক্রম শুরু হবে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, খালি চোখে চাঁদ দেখার জন্য দিগন্তের ওপরে এর স্থায়িত্ব অন্তত ২৯ মিনিট ও সূর্য থেকে কৌণিক দূরত্ব ৭.৬ ডিগ্রি হওয়া প্রয়োজন। ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ এই মানগুলো অর্জিত হওয়ার ওপর ভিত্তি করেই বিভিন্ন দেশে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক