পৃথক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা রাশিয়া ও ইউক্রেনের
চার বছর ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষই পৃথক ও পাল্টাপাল্টি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। যদিও এই ঘোষণাগুলো একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় করে নেওয়া হয়নি। তবুও যুদ্ধের ময়দানে কয়েক দিনের জন্য হলেও কামানের গর্জন থামার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
আরও পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভুল হামলায়’ হরমুজ প্রণালিতে নিহত ৫
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে আগামী ৮ ও ৯ মে যুদ্ধবিরতি পালন করবে রুশ বাহিনী। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে রাশিয়ার বিজয় দিবস (ভিক্টরি ডে) উদযাপনের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মস্কোর পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, ইউক্রেনীয় পক্ষও এই পথে হাঁটবে।
রাশিয়ার এই প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক কোনো নোটিশ পাননি বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। রুশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে নারাজ তিনি। পরিবর্তে, ইউক্রেন নিজস্বভাবে ৫ মে দিনগত রাত ১২টা (মঙ্গলবার মধ্যরাত) থেকে ৬ মে পর্যন্ত আলাদা যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে।
আরও পড়ুন : অভিনয় থেকে রাজনীতি- মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে কি বসবেন থালাপতি বিজয়?
আরও পড়ুন : হোয়াইট হাউসের কাছে গুলিতে বন্দুকধারী আহত, পাশেই ছিলেন জেডি ভ্যান্স
জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে বলেন, যেকোনো বার্ষিকী উদযাপনের চেয়ে মানুষের জীবনের মূল্য অনেক বেশি। রুশ নেতাদের উচিত যুদ্ধ বন্ধে কেবল ঘোষণা নয়, বরং বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া।
আরও পড়ুন : কালবৈশাখী হতে পারে যেসব জেলায়, সাবধানে চলাচলের পরামর্শ
বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই পক্ষ ভিন্ন ভিন্ন সময়ে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করায় এর কার্যকারিতা নিয়ে শঙ্কা থেকে যাচ্ছে। ইউক্রেনের যুদ্ধবিরতি আজ রাত থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, রাশিয়ার ঘোষিত সময়টি কয়েক দিন পরে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক