ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যে অতিরিক্ত শুল্কের হুমকি, নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখা দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) স্বাক্ষরিত ওই আদেশে নির্দিষ্ট শুল্কহার উল্লেখ না থাকলেও উদাহরণ হিসেবে ২৫ শতাংশ শুল্কের কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, যে কোনো দেশ যদি ‘সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ইরান থেকে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়, আমদানি বা অর্জন করে’, তবে সেই দেশের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। খবর বিবিসির।
এ বিষয়ে ট্রাম্প সরাসরি মন্তব্য না করলেও শুক্রবার রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি আবারও বলেন, ইরানের হাতে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়।
এর আগে জানুয়ারিতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। তবে তখন শুল্ক কীভাবে কার্যকর হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নতুন নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ইরানকে ঘিরে ‘চলমান জাতীয় জরুরি অবস্থা’ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে প্রেসিডেন্ট এ আদেশ সংশোধন করতে পারবেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের প্রচেষ্টা, সন্ত্রাসবাদে সমর্থন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য দেশটিকে জবাবদিহির আওতায় আনছেন প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর ওমানে দুই দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে নতুন এ আদেশ সেই আলোচনার প্রেক্ষাপটে চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক