ইরান যুদ্ধে নতুন মাত্রা, মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে কমান্ডোবাহী মার্কিন রণতরী
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের নতুন কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত পেন্টাগন। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে সাড়ে তিন হাজার মার্কিন নৌসেনা ও মেরিন কমান্ডোবাহী বিশালাকার রণতরী ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’।
আজ শনিবার (২৮ মার্চ) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করে। খবর সিএনএনের।
সেন্টকম জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইউএসএস ত্রিপোলি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় (এরিয়া অব রেসপন্সিবিলিটি) প্রবেশ করেছে। এর আগে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, এই অঞ্চলে একটি বিশেষ ‘মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ মোতায়েন করতে যাচ্ছে পেন্টাগন। ইউএসএস ত্রিপোলির আগমন সেই পরিকল্পনারই অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই বিশেষ মেরিন ইউনিটগুলো সাধারণত বড় আকারের উদ্ধার অভিযান, সমুদ্র থেকে উপকূলে আক্রমণ এবং ঝটিকা অভিযানের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। এদের নিজস্ব আকাশপথ ও স্থলযুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে। যা কমান্ডারদের যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি বা ‘কন্টিনজেন্সি’ মোকাবিলায় বাড়তি সামরিক বিকল্প তৈরি করে দেবে। বিশেষ করে ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার সময়সীমা ১০ দিন পিছিয়ে দেওয়ার পর এই রণতরীর উপস্থিতি তেহরানের ওপর সামরিক চাপ আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।
বিশ্লেষকদের মতে, ১০ হাজার অতিরিক্ত পদাতিক সৈন্য পাঠানোর প্রস্তুতির পাশাপাশি ইউএসএস ত্রিপোলির এই মোতায়েন ইঙ্গিত দিচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র কেবল আকাশপথেই নয়, বরং সমুদ্র ও উপকূলে সরাসরি অভিযানের সক্ষমতাও বৃদ্ধি করছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তির এক বিশাল সমাবেশ। যা গত কয়েক দশকের মধ্যে দেখা যায়নি।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক